মুক্তিযোদ্ধার ইতিহাস সংরক্ষণ কমিটি | mssangsad.com
  • Image
  • Image
  • Image
  • Image

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

জয় বাংলা                                                                                                                                       জয় বঙ্গবন্ধু

 

বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা এক সুত্রে গাঁথা। মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে সারা দিয়ে জাতির জনকের অনুসারী প্রকৃত দেশপ্রেমিকরা জীবনের ঝুকি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেছিল। আজ যেখানে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের সকল কিছু সরকারীভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে অথচ যারা প্রশিক্ষন নিয়ে সশস্ত্র ও গেরীলা যুদ্ধ করলো সেই সব বীরদের বীরত্বগাথা ইতিহাস সংরক্ষণের কোন সরকারী উদ্যোগ নেই। যে সব বীরত্বগাথা ইতিহাস দেখে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভুদ্ধ হতে পারে, দেশকে মুক্তিযোদ্ধাদের মত করে ভালোবাসতে পারে। আজ যাদের ত্যাগের বিনিময়ে এই দেশের জন্ম হয়েছে ও সংবিধান এসেছে সেই "মুক্তিযোদ্ধা" শব্দটি দেশের সংবিধানে উল্লেখিত নাই। “জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু” শ্লোগানটি জাতীয় শ্লোগানের স্বীকৃতি পেলেও যথাযথ প্রয়োগ নিই। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অমুক্তিযোদ্ধাদের দৌরাত্ম, স্বাধীনতার এতো বছর পরেও মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাচাই  আজ কঠিন প্রশ্নবিদ্ধ।বঙ্গবন্ধুর প্রদত্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংজ্ঞা (যিনি অস্ত্র হাতে সশস্ত্র যুদ্ধে অংশগ্রহন করেছেন তিনি মুক্তিযোদ্ধা) বার বার পরিবর্তিত হচ্ছে আর সে কারণে মুক্তিযোদ্ধারা রাট্রীয় ও সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছে। এর থেকে উত্তোরন দরকার। আমরা বিশ্বাস করি যিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেছেন তার অবশ্যই একটা ত্যাগময় বীরগাথা ইতিহাস আছে, থাকতে হবে নতুবা তিনি মুক্তিযোদ্ধা কিভাবে হন? মুক্তিযোদ্ধারা আজ হারিয়ে যাচ্ছে, সকলেই জীবনের শেষ ধাপে। আশঙ্কা এক দশক পরে হয়ত আর কোন মুক্তিযোদ্ধাকে জীবিত খুজেঁ পাওয়া যাবেনা , গেলেও তারা থাকবেন স্থবির। যারা আমাদের একটা স্বাধীন স্বার্বভৌম দেশ, একটি জাতীয় পতাকা দিলেন তাদের যুদ্ধ কালীন এবং চতুর্মুখী বীরত্বগাথা ইতিহাস সংরক্ষণ করাই প্রথম ও প্রধান কাজ আমাদের প্রজন্মের , তানা হলে আগামী প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় কি দিয়ে উদ্বুদ্ধ হবে ও দেশ প্রেমের আদর্শ খুজেঁ পাবে ? যাদের বীরত্বগাথা ইতিহাস নেই তারাই ভুয়া আর এরা জাতির শত্রু ও দেশের সম্পদ বিনষ্টকারী।

 

 

নতুন প্রজন্মের শিক্ষার উদ্দেশ্য যেন না হয় শুধুই অর্থ উপার্জন।

নতুন প্রজন্মকে দুর্নীতিমুক্ত দেশ প্রেমিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে তাদেরকে শিক্ষা দিতে হবে ত্যাগ আর আদর্শের বীরত্বগাথা ইতিহাস, আর জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ ত্যাগ ও আদর্শ খুঁজে পাওয়া যাবে বঙ্গবন্ধু এবং  একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথার মাঝে। তাই আমাদের উচিত হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বাংলার  সূর্য সৈনিক একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথার ইতিহাস সংরক্ষণ এবং তা নতুন প্রজন্মের মাঝে তুলে ধরা। যাতে নতুন প্রজন্ম তাদের আদর্শ আর আত্মত্যাগের ইতিহাসে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেদেরকে আদর্শবান, দুর্নীতিমুক্ত দেশ প্রেমিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।

 

“মুক্তিযোদ্ধার ইতিহাস সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশ” স্ব উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাক্তিগত যুদ্ধের বীরত্বগাথা ইতিহাস সংরক্ষণ, প্রত্যক্ষদর্শীর যুদ্ধের বর্ণনা ও মুক্তিযোদ্ধাদের জীবন চিত্র বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা ও তাদেরকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে ওয়েব সাইট (www.mssangsad.com) ও বই (মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা ইতিহাস পর্ব – ১,২,৩,৪,৫,৬…) আকারে প্রকাশ করে বিভিন্ন প্রজন্মের মাঝ মুক্তিযুদ্ধেরে চেতনায় উদ্বুদ্ধ করণ উপকরণ হিসেবে বিনামূল্যে প্রদান এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে। এ জাবৎ প্রায় ৪০০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী দেরমুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ  করেছি এবং তাদের মাঝে বিভিন্ন কর্ম কান্ড চালিয়ে যাচ্ছি। তবে বিভিন্ন প্রতিকুলতার কারনে আমরা আমাদের কাজ সঠিক ভাবে পরিচালনা করতে পারছিনা।

 

তাই জাতিরজনক এর কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি তাঁর সদয় দৃষ্টি আকর্ষণে দাবী তুলে ধরলাম। আমার আশা এবং বিশ্বাস আমাদের একমাত্র অভিবাবক মমতাময়ী নেত্রী সদয় হয়ে জাতীয় বীরদের বীরগাথা ইতিাহস সংরক্ষণের স্বার্থ অনুধাবন করে আমাদের দাবি সমূহ মেনে নিয়ে তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করবেন।

 

 

০১) বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাক্তিগত বীরত্বগাথা ইতিহাস  প্রোফাইল আকারে সংরক্ষণ করতে হবে।

০২) প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে বছরে একবার ক্লাসে ক্লাসে বিশেষ দল দ্বারা ওই সব বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা ইতিহাস  প্রদর্শনের মাধ্যমে নতুন  প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধু ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ ও আদর্শে দেশপ্রেমীক হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্ভুদ্ধ করতে হবে।

০৩) মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ( জাতির শ্রেষ্ট সন্তান ) সহ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সামাজিক ভাবে প্রতিষ্ঠার সকল ব্যাবস্থা গ্রহন করতে হবে।

০৪) মুক্তিযোদ্ধাদের বিতর্কিত যাচাই বাচাই বাদ দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক বঙ্গবন্ধুর সঙ্গায় ফিরে এসে সঠিক পদ্ধতি গ্রহন করে দ্রুত যাচাই বাচাই শেষ করতে হবে।

০৫) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জামুকার সকল পদে মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিযোদ্ধার প্রজন্মদের রাখতে হবে।

 

Facebook 


ধন্যবাদান্তে

image
মোঃ মাসুদুল করিম অরিয়ন
সভাপতি ও উদ্যোক্তা । যোগাযোগঃ- ০১৭১৫-৪৪৮৪২৮/০১৭০৬-৪৫০৫৩৩ Email: chairman@mssangsad.com